আপডেট: August 15, 2020
নিজস্ব প্রতিবেদক।। গতকাল বেলা এগারোটার দিকে গভীর বঙ্গপোসাগরে “মায়ের দোয়া “নামক একখানা ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ওই ট্রলারে মাঝিসহ মোট ১৪ জন স্টাফ ছিলেন। ট্রলারটি ডুবে গেলেও তারা সকলে অন্য ট্রলারে করে বাড়ি ফিরেছেন। ট্রলারের মালিক ছত্তার ঘরামী বলেন, আমার একমাত্র সম্বল ছিলো ঐ ট্রলারখানা ওটা ডুবেযাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম। ডুবে যাওয়া ট্রলারের মূল্য ছিলো প্রায় ১৫ লাখ টাকা তবে শুকরিয়া যে, আমার লোকজন সকলে ফিরে এসেছে। ট্রলারের মাঝি মোঃ সেলিম ঘরামী বলেন, আমাদের ট্রলারে মোট ১৪ জন লোক ছিলো তাদের মধ্যে ৩ জন বাগেরহাটের আর বাকি ১১ জন তালতলী উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের। আমরা গভীর সাগরে মাছ ধরার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আজ বেলা এগারোটার দিকে গভীর সাগরে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। যার ফলে আমাদের ট্রলারটি ঝড়ের কবলে পরে ডুবে যায়। তখন আমরা ফ্লুট দিয়ে ভাসতে থাকি। প্রায় ঘন্টা খানিক পরে নিদ্রারচর গ্রামের সেলিম মাঝির ট্রলারে আমাদের ভাসতে দেখে সাগর থেকে তুলে নিয়ে আসে। আমরা সকলে আজ আছর নামাজের সময় নিদ্রা স্লুইজ ঘাটে এসে পৌছাই। তিনি আরো বলেন আল্লাহ আমাদেরকে বাঁচিয়ে এনেছেন। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া আমরা সকলে মোটামুটি সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরেছি। তার কাছে আরো জানতে চাইলে তিনি বলেন জীবিকার তাগিদে আমাদের কাজ করে খেতে হয়। তাই গভীর সাগরে মাছ ধরে জীবিকা চালাই এটা আমাদের প্রতিদিনের কাজ। কিন্তু আজ হঠাৎ ঝড়ের কবলে বিপদে পড়ি। এ বিষয়ে তাদের শরীরের অবস্থা জানতে চাইলে সেখানে উপস্থিত ছিলেন নিশান বাড়ীয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সম্মানিত ইউপি সদস্য মোঃ মজনু । তিনি বলেন, সকলে মোটামুটি সুস্থ আছেন বলে মনে করি। তার পরেও এদেরকে নিদ্রা বাজারের ফার্মেসির ডাক্তারদের কাছে নিয়ে সুস্থতার কথা বলা যাবে। এখন দেখছি তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

