আপডেট: December 14, 2020
ঢাকার দেয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বরিশাল। সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দুজনই ব্যাট হাতে ব্যর্থ। আফিফের সঙ্গে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিলেও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বল খরচ করেন তামিম। তখন থেকেই চাপে পড়ে বরিশাল।
এই চাপ থেকে আর বেরোতে পারেনি দলটি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন আফিফ। দলের আর কেউই বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। ঢাকার হয়ে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন শফিকুল ইসলাম ও মুক্তার আলী।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বরিশাল। ঢাকার হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন নাঈম শেখ ও সাব্বির রহমান। শুরুতেই ৩ উইকেট হারায় ঢাকা। নাঈম ৫ ও সাব্বির ৮ রান করলেও খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফেরেন আল আমিন জুনিয়র।
এমতাবস্থায় ৫০ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী রাব্বি। ঢাকার অধিনায়ক ফেরেন ৪৩ রানে। তার জায়গায় নামা আকবর আলি করেন ২১ রানে।
শেষদিকে মুক্তার আলীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকাকে এগিয়ে নেন ইয়াসির। শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৫৪ রান। মুক্তার আলী ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বরিশালের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও কামরুল ইসলাম রাব্বী। সোহরাওয়ার্দী শুভ ও তাসকিন আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।

