শিরোনাম
গৌরনদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদযাপন লঞ্চঘাটে ৯ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার চরফ্যাশনে ৮ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ আমতলীতে স্কুল শিক্ষার্থী ইমন হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্টে ঐতিহাসিক জয় ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে অব্যাহতি শারীরিক প্রতিবন্ধী জহিরুল ও ইদ্রিস মল্লিকের পাশে দাঁড়ালেন লন্ডন প্রবাসী মিজানুর রহমান খান নরওয়ে প্রবাসী সজিব! পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ও জাকের পার্টির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল বিভাগে কর্মীসভা ও কেন্দ্রীয় মিশন অনুষ্ঠিত ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেলে’র শহিদী মর্যাদা চায় পরিবার

আপডেট: August 14, 2024

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রুবেলের শহীদি মর্যাদার দাবী করে পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) বেলা ৩টায় ভুক্তভোগীর ভাই মো: মালেক তালুকদারের পুত্র মো: সুমন তালুকদার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঝালকাঠি জেলা কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রুবেলের বাবা, চাচাতো ভাইসহ আত্মীয় স্বজন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তার ভাই রুবেল তালুকদার, ভাগ্নে হাবিব হাওলাদার এক সাথে ঢাকা আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সক্রীয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তারা বৈষম্যবিরোধী সংশ্লিস্ট ছাত্র আন্দোলনের গ্রুপেও যুক্ত আছেন। তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন সাভার ইপিজেড এ চাকুরী করতেন।

৫ আগষ্ট ২০২৪ অনুমানিক সকাল ১০টায় আশুলিয়া থানার সামনে পুলিশের সাথে ছাত্র জনতার সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে তারা দু’জন আহত হন। মিছিলে আগত ছাত্র জনতা তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরপরই তার ভাই রুবেল হোসেনকে আশুলিয়াস্থ নোভা হাসপাতালে নিয়ে যান এবং হাবিব হাওলাদারকে সাভার এনাম হাসপাতালে ভর্তি করান, তিনি বর্তমানে সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। গোলাগুলি এবং যানবাহনের সংকটের মধ্যে  চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে অনুমানিক বিকাল ৪.০০টায় নোভা হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেলকে মৃত ঘোষনা করেন। পরিবেশ অনুকুলে না থাকায় তার ময়না তদন্ত ছাড়া নিজ বাড়ি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার চর হাইলাকাঠি গ্রামে ৬ আগস্ট জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দুঃখের বিষয় এই যে, গত ১২ আগষ্ট রাজাপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ শিক্ষকগণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেয়। কিন্তু শহীদ রুবেল হোসেনের পিতা-মাতা বা পরিবারের কাউকে দাওয়াত দেয়া হয় নাই। পরে লোকমুখে শুনে রুবেলের পিতা-মাতা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল রুবেলের পিতা-মাতা ও পরিবারের কাউকে উক্ত অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়ে সামনের সারিতে রাখা। যাতে রুবেল দেশের জন্য প্রাণদানের মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয় এবং একজন শহীদের পরিবার তার যথার্থ সম্মানটুকু পায়। একজন শহীদের ভাই হিসেবে দেশের মানুষ ও প্রশাসনের কাছে তার প্রাণের দাবী, যাতে এরকম শহীদেরা আমাদের একটুখানি অসচেতনতার ফলে হারিয়ে না যায় এবং সেই সাথে শহীদদের এই আত্মত্যাগ কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের পুঁজি না করা হয়।

শহীদ রুবেলের বাবা বলেন, ঘটনা যাতে ধামাচাপা না পড়ে প্রকৃত সত্যটি জাতির কাছে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় এবং তার পুত্র রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের মর্যাদা পায় সেজন্য সকলের কাছে আহ্বান জানান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network