আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬
আন্তর্জাতিক:: ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার নামাজে বিপুল মানুষের উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জবাব বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিপুলসংখ্যক ইরানির জানাজায় অংশগ্রহণ দেশের জনগণের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই বিশাল উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে একটি দৃঢ় জবাব। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববাসীর কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা—ইরানের জনগণ তাদের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ এবং অবিচল।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর চার মাস পর তার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। দেশটির ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন।ছয় দিনব্যাপী এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান প্রতিবেশী দেশ ইরাকসহ পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে খামেনির জানাজার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান শুরু হবে। সোমবার তেহরানের রাস্তায় একটি মিছিল শুরু হবে। মিছিলটি ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে এবং তারপর ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরের দিকে যাবে।আগামী ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। ইরান এবং ইরানের বাইরে থেকে বহু মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ এতে অংশ নেবেন বলে তারা আশা করছেন এবং পুলিশ এই অনুষ্ঠানের জন্য উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।

