১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
গাজীপুরে নিহত একই পরিবারের পাঁচজনের দাফন গোপালগঞ্জে সম্পন্ন শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: লস্কর মোহাম্মদ তসলিম বাকেরগঞ্জ পুলিশের হাতে আটক ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড গাজীপুরে ৫ হত্যা: লাশগুলোর উপরে ছিল টাইপ করা চিরকুট কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পানছড়ি বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমামকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত গাজীপুরে এক পরিবারের ৫ জনকে হত্যার ঘটনায় গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম বাকেরগঞ্জে “Humanity And Sports Alliance” সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, সভাপতি রহমাতুল্লাহ পাটোয়ারী সাধারণ সম্পাদক সোহেল!

কুরবানির গোশত জমিয়ে রাখা কি জায়েজ?

আপডেট: জুন ১৭, ২০২৪

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ ডেস্ক:: কুরবানি ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের পর প্রতি বছর কুরবানি করেছেন। তিনি কখনও কুরবানি পরিত্যাগ করেননি; বরং কুরবানি পরিত্যাগকারীদের ওপর অভিসম্পাত করেছেন।

প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী মুকিম ব্যক্তি, যে ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব হবে।

নেসাব হলো: স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত ভরি। আর রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি। আর অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ।

মদীনার প্রথম যুগে খাদ্যের সংকট ছিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে কুরবানির গোশত তিন দিনের বেশি জমিয়ে রাখতে নিষেধ করেছিলেন। পরে যখন অভাব কমে গেল তখন আবার সংরক্ষণ করে রাখার অনুমতি দিয়েছিলেন।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, জাবির রা. বলেন- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিনের পর কুরবানির গোশত খেতে নিষেধ করেছিলেন। এরপর (অবকাশ দিয়ে) বললেন, খাও, পাথেও হিসেবে সঙ্গে নাও এবং সংরক্ষণ করে রাখ। (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৯৭২)

অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি তোমাদেরকে তিন দিনের পর কুরবানির গোশত খেতে নিষেধ করেছিলাম, যেন স্বচ্ছল ব্যক্তিরা অসামর্থ্যদের তা উদারভাবে দিতে পারে। এখন তোমরা যা ইচ্ছা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখতে পার। (জামে তিরমিযী, হাদিস ১৫১০)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সামর্থ্য অনুযায়ী কুরবানি করার তাওফিক দান করুন। ভুল-ত্রুটি থেকে রক্ষা করুন। এবং কেবল তার সন্তুষ্টির জন্যই কুরবানি করার তাওফিক দান করুন।পরিশেষে আমাদেরকে আল্লাহ তাআলার সেই বাণী স্মরণে রাখতে হবে, তিনি ইরশাদ করেন- আল্লাহর কাছে না পৌঁছে তাদের গোশত আর না তাদের রক্ত, বরং তার কাছে তোমাদের তাকওয়াই পৌঁছে। এভাবেই তিনি এসব পশুকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা একারণে আল্লাহর তাকবীর বল যে, তিনি তোমাদেরকে হেদায়েত দান করেছেন। যারা সুচারুরূপে সৎকর্ম করে তাদেরকে সুসংবাদ দিন। (সুরা হজ্ব (২২): ৩৫)

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network