আপডেট: December 2, 2024
নিজস্ব প্রতিবেদক:: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমাদের পূর্বপুরুষ-যাদের মাধ্যমে এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; যাদের সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও চারিত্রিক মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে দলে-দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা কেউ বণিক ছিলেন না বরং প্রত্যেকেই ছিলেন দাঈ-ইলাল্লাহ। বণিকদের কাজ হল-ব্যবসালব্ধ অর্থসম্পদ নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া; কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষগণ এ দেশেই থেকে গেছেন, মিশে আছেন এ মাটির পরতে-পরতে। যে আদর্শ ও বৈশিষ্ট্যের কারণে ভাষা ও আচার-আচরণগত বৈষম্য সত্ত্বেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ তাদেরকে আপন করে নিয়েছিল, সেই আদর্শ ও গুণের সমাবেশ ঘটিয়েই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে।”
আজ (২ ডিসেম্বর, সোমবার) ঝালকাঠি নেছারাবাদ কমপ্লেক্সে আমীরুল মুছলিহীন হযরত নেছারাবাদী হুজুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে আমীরে জামায়াত ঝালকাঠির নেছারাবাদ ও ছারছীনা দরবার শরীফে তার সফরের অংশ হিসেবে নেছারাবাদে আগমন করলে নেছারাবাদ কমপ্লেক্স এর চেয়ারম্যান, আমীরুল মুছলিহীন হযরত নেছারাবাদী হুজুর তাকে স্বাগত জানান এবং কিছু সময় তারা একান্ত সান্নিধ্যে কাটান। এ সময় নেছারাবাদী হুজুর তার নিজের ও হযরত কায়েদ সাহেব হুজুর (রহ.)-এর ঐক্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় পুস্তকের সঙ্গে “মওদুদী জামায়াতের স্বরূপ” গ্রন্থটি তাকে উপহার দিয়ে এ বইয়ের আলোকে হক্কানী ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ব্যবধান কমিয়ে আনার আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় আমীরুল মুছলিহীন হযরত নেছারাবাদী হুজুর দেশের বিরাজমান সংকট ও ইসলামপন্থিদের শতধা-বিচ্ছিন্নতা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বয়ান পেশ করে বলেন- “ইত্তেহাদ মায়াল এখতেলাফ এখন সময়ের দাবি।” আমীরে জামায়াত তার এ বক্তব্য সমর্থন করে বলেন-“ আপনি শুধু আমীরুল মুছলিহীন নন, আমীরুল ইত্তেহাদ; আমরা অবশ্যই হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের আর্জি পুরণে পরিশুদ্ধ হব এবং আপনার ঐক্যের এই আওয়াজকে বুলন্দ করবো ইনশাআল্লাহ!
মতবিনিময় সভা-শেষে জামায়াত আমীর ছারছীনার উদ্দেশ্যে গমন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছারছীনা দরবার এর ছোট হুজুর মুহতারাম হযরত মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ ছিদ্দিকী

