আপডেট: September 16, 2021
অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাসের প্রকোপে গত বছরের মার্চে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কালুয়া গড়ের আবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এলাকার রাস্তার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের থাকার জন্য ওই বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পরও সেখানে বসবাস করছেন তারা। এর ফলে গাদাগাদি করে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।জানা গেছে, কালুয়া গড়ের আবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারটি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে একটি অফিস কক্ষ, বাকি তিনটি শ্রেণিকক্ষ। বিদ্যালয় বন্ধের সময় দুটি কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও তারা সেখান থেকে যাননি। বর্তমানে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে পাঠদান চলছে ১০০ শিক্ষার্থীর।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম মাসুদুল হক বলেন, গজালিয়া-চৌমুহনী রাস্তার কাজ চলছে। এ কারণে বিদ্যালয়ের সভাপতি সলেমান সানা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লোকদের একটি কক্ষে আশ্রয় দিয়েছেন।সলেমান সানা জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী ও এলাকাবাসীর চাপে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ব্যবহার করতে দিয়েছি। কিন্তু ভাড়ার কথা তার জানা নেই বলে জানান তিনি।
বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান সানা বলেন, প্রধান শিক্ষক স্কুলের দুটি কক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিয়েছে। এর ফলে একটি কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ঝঙ্কার ঢালী জানান, এক সপ্তাহ আগে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ১২ সেপ্টেম্বরের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে শিক্ষার্থীদের পাঠ উপযোগী করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সরকিরি প্রতিষ্ঠান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার এখতিয়ার প্রধান শিক্ষকের নেই।

