আপডেট: November 7, 2022
অনলাইন ডেস্ক:: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় একটি ব্রিজের অভাবে জনসাধারণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গ্রামবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও কৃষিপণ্য পরিবহনে গুনতে হয় অতিরিক্ত অর্থ।
চলনবিল অধ্যুষিত হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউপির হামকুড়িয়া খানপাড়া গ্রামটিতে প্রায় ২০ হাজার কৃষক পরিবারের বসবাস। একটি সেতু না থাকার কারণে সড়কের সঙ্গে গ্রামটির যোগাযোগ আটকে আছে।
হামকুড়িয়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক জিয়াউর রহমান জানান, বর্ষাকালে নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হলেও বৃদ্ধ, শিশু আর রোগী নিয়ে চলাচল খুবই ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। নৌপথে কৃষিপণ্য পরিবহনেও রয়েছে নানা ভোগান্তি। গ্রামটি ৭টি পাড়া নিয়ে গঠিত।

স্থানীয় কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ গ্রামের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়। যদি কোনো শিশুর পা সাঁকো থেকে সরে যায় তাহলেই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
খানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন খন্দকার বলেন, তারা নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি তৈরি করেছেন। গ্রামের দোকান ব্যবসায়ীদের বাজার থেকে পণ্য আনতে যাতায়াত খরচও বেশি পড়ে যায়। বর্ষাকালে সাঁকো পিচ্ছিল হওয়ার কারণে এটি পার হতে বেশ বেগ পেতে হয় গ্রামবাসীর। গ্রামবাসীদের প্রাণের দাবি একটি ব্রিজ করে দেওয়া হলে যাতায়াতসহ সকল প্রকার সমস্যার সমাধান হতো।

