ভোলা প্রতিনিধি:: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোলার ২১ চরের ৩ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে মাইকিং শুরু করছে সিপিপি কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইলিশাসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা মাইকিং শুরু করে। এদিকে নদী ও সাগরের মাছ ধরা জেলেরা ফিরতে শুরু করেছে। ঘাটে নোঙ্গর করা হয়েছে শত শত নৌকা। জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত থাকায় সিপিপি উপকূলের মানুষ নিরাপদে আসতে শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়। একই সঙ্গে সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয়...
ভোলা প্রতিনিধি::ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোলার ২১ চরের ৩ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
এরই অংশ হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে মাইকিং শুরু করছে সিপিপি কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইলিশাসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা মাইকিং শুরু করে।
এদিকে নদী ও সাগরের মাছ ধরা জেলেরা ফিরতে শুরু করেছে। ঘাটে নোঙ্গর করা হয়েছে শত শত নৌকা। জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত থাকায় সিপিপি উপকূলের মানুষ নিরাপদে আসতে শুরু করেছে।
উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়। একই সঙ্গে সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষদের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের আগে, ঘূর্ণিঝড়কালীন সময় ও ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে কাজ করার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন।