১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
বিশ্ব মা দিবস আজ , পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গাজীপুরে গরু চুরির অভিযোগে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে নিহত একই পরিবারের পাঁচজনের দাফন গোপালগঞ্জে সম্পন্ন শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: লস্কর মোহাম্মদ তসলিম বাকেরগঞ্জ পুলিশের হাতে আটক ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড গাজীপুরে ৫ হত্যা: লাশগুলোর উপরে ছিল টাইপ করা চিরকুট কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পানছড়ি বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমামকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত

৩০ দিনে মধ্যে বিয়ে করতে হবে, নইলে চাকরী থাকবেনা ! নোটিশ জারী

আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৩

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ: সহকারী শিক্ষককে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিয়ে করতে পাকা নোটিশ দিয়েছেন বিদ্যালয়টির প্রধানশিক্ষক। গোপালপুর উপজেলার সাজানপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ওই ঘটনা ঘটেছে। নোটিশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে সহকারী শিক্ষক পদে ওই বিদ্যালয়ে যোগ দেন গোপালপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা রনি প্রতাপ পাল। গত ২৬ জুলাই তাকে নোটিশ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। নোটিশে বলা হয়, ‘বিদ্যালয়ে যোগদানের পর আপনাকে বারবার মৌখিকভাবে তাগিদ দিয়েছি বিবাহ করার জন্য। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয়, কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আপনি বিবাহ করেননি। বিদ্যালয়টিতে সহশিক্ষা চালু রয়েছে। অভিভাবকগণ অবিবাহিত শিক্ষক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন।
তাই বিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে নোটিশপ্রাপ্তির ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিবাহের কার্য সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে পাক্কা নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

নোটিশ পাওয়ার দুই দিন পর শিক্ষক রনি প্রতাপ প্রধান শিক্ষককে লিখিত জবাব দেন। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার অভিভাবকেরা আমার বিয়ের চেষ্টা করছেন। কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুদের বিয়ের পাত্রপাত্রী বাছাইয়ে গাত্র বা বর্ণের বিষয় রয়েছে। তা ছাড়া হিন্দুধর্মাবলম্বীরা শ্রাবণ থেকে কার্তিক পর্যন্ত বিয়ে করাটা শুভ মনে করে না। সুতরাং পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতির কারণে আগামী অগ্রহায়ণ মাসে আমার অভিভাবকেরা আমাকে বিবাহ করাবেন বলে জানিয়েছেন।’

শিক্ষক রনি প্রতাপ অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক স্কুলের সব স্টাফকে ডেকে সবার সামনে তাকে সাফ বলে দিয়েছেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিয়ে না করলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হবে। হয়রানির ভয়ে তিনি গত ৩০ জুলাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।’

শিক্ষক রনি বলেন, ‘তিনি অবিবাহিত থাকলেও কোনো অভিভাবক বা শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি।’

তবে প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সহশিক্ষা চলমান রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানে অবিবাহিত শিক্ষক থাকলে নানা অসুবিধা হতেই পারে। এ জন্য তাকে দ্রুত বিয়ে করার নোটিশ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই লজ্জাজনক। এভাবে নোটিশ করার এখতিয়ার কোনো প্রধানশিক্ষকের নেই।’

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network