আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (২৫শে জানুয়ারি) বিকালে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের নির্বাচনি এলাকা আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের জুগিরহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের কাছ থেকে বিকাশ ও এনআইডি নং সংগ্রহ করছিলেন। এছাড়া তারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য নারীদের কোরআন ছুঁইয়ে শপথ করিয়ে নিচ্ছিলেন। এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে বিএনপির কর্মীদের সাথে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে বিএনপির কর্মীদের উপর হামলা চালায়।
তবে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ভোট চাইতে গেলে জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা করে বিএনপির কর্মীরা। খবর পেয়ে সেখানে গেলে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের উপর হামলা করা হয়। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বিএনপির কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলছেন তার কোনো ভিত্তি নাই।’
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানি ইসরাইল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। উত্তেজনা বিরাজ করায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। আর জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল।
আমিনুর রহমান নয়ন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার।

