১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

উজিরপুরে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করতে একটি মহল চক্রান্তে লিপ্ত

আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০২২

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

উজিরপুরে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করতে একটি মহল চক্রান্তে লিপ্ত

শামীম মীর, বরিশাল।।বরিশালের উজিরপুর উপজেলার মারকাযুল কারীম সামেলা মাজেদ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করতে একটি বিশেষ মহল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ষরযন্ত্রে লিপ্ত। এই ষরযন্ত্রকারীদের শনাক্ত করে বিচারসহ মাদ্রাসায় কোরআন শিক্ষাকে গতিশীল করতে মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা তরিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা তরিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় গুটিকয়েক চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল ও দুষ্ঠ প্রকৃতির মানুষ মাদ্রাসার সফলতায় ঈর্শ্বান্বিত হয়ে স্বীয় স্বার্থে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে চক্রন্ত ষরযন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এবং মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকদের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করতে অপচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট সমাজসেবক মীর সোহরাব হোসেন ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নানান মিথ্যাচার চালাচ্ছে উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের পূর্ব মুন্ডপাশা গ্রামের হারুন অর রশিদ খলিফা তার সহদর নুরু খলিফার ছেলে আনোয়ার হোসেন পান্নু খলিফা। তারা মীর সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে বলেন, মীর সোহরাব হোসেন ২০২০ সালে ৭১ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে জমিতে তিন তলা একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করেন এবং নিজের অবৈধ দখলবাজি ধামাচাঁপা দিতে সু-কৌশলে চরমোনাই পীর সাহেবের ব্যানারে লাগিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। ষরযন্ত্রকারী মহলের মিথ্যাচার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মীর সোহরাব হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। প্রকৃত সত্য হল, হারুন খলিফা ও নুরু খলিফার পিতা মৃত গফুর খলিফা তার অধিকাংশ সম্পত্তি স্থানীয় ফারুক মুন্সী, বকুল মুন্সীসহ একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। মৃত গফুর খলিফা ছেলে হারুন ও নুরু খলিফা ও তিন মেয়ে রেখে যান। মৃত গফুর খলিফার দুই মেয়ের এক একর ৩২ শতাংশ সম্পত্তি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ক্রয় করেন। আর তাদের কাছ থেকে ৬৬ শতাংশ জমি সরাসরি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ক্রয় করেছে। মৃত গফুর খলিফার অবশিষ্ট সম্পত্তি পৈত্রিক সূত্রে পান দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। হারুন ও নুরু খলিফা বোনদের না জানিয়ে বোনের সম্পত্তিসহ দুই একর সম্পত্তি শের ই বাংলা কলেজে দান করেন। দুই ভাই হারুন ও নুর খলিফা বোনদের জমি কলেজে দান করে দানবীর সেজেছেন। এ নিয়ে ভাই বোনদের মধ্য জমাজমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে হারুন খলিফা ও তার সহদর মৃত নুরু খলিফার ছেলে আনোয়ার হোসেন ওরফে পান্নু খলিফা উদর পিন্ডি গুদের ঘারে চাপিয়ে দিতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মীর সোহরাব হোসেন ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালাচ্ছে। হারুন ও মৃত নুরু খলিফা গংরা বোনদের সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেরা তাদের সম্পত্তি আত্মসাত করেছে সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতেই হারুন খলিফা ও তার ভাতিজা আনোয়ার হোসেন ওরফে পান্নু খলিফা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে। ওই বিরোধপূর্ণ জমির ওপর আদালত স্থিতিঅবস্থা জারি করা হলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিষ্ঠাতা মীর সোহরাব হোসেন নির্মান কাজ অব্যহত রাখেন। ওই কথা সঠিক নয়। মহামান্য হাইকোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরেই নির্মান কাজ করা হয়েছে। অসাধু হারুন খলিফা ও মৃত নুর খলিফার ছেলে আনোয়ার হোসেন গংরা প্রায়ই সংবাদ কর্মীদের কাছে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মীর সোহরাব হোসেনের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা ও উস্কানীমূলক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে থাকে । কখনো কখনো বিশিষ্ট সমাজসেবক মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর সোহরাব হোসেনকে সমাজে খাট করার জন্য কথিত সাংবাদিকরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে নানান কটুক্তিমূলক শব্দ ব্যবহার করে যা সাংবাদিকতর নীতিমালা বিবর্জিত কাজ। মীর সোহরাব হোসেন একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সৎ পথে ব্যবসা করে সরকারি বিধি-বিধান মেনে কর দিয়ে সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এ নিয়ে অপ-প্রচার চালানোর কোন সুযোগ নেই। তার পরেও গুটি কয়েক কথিত সাংবাদিক দাবিকৃত অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে চক্রন্তকারীদের প্ররোচনায় মনগড়াভাবে মিথ্যাচার চালাচ্ছেন। ওই সব কথিত সাংবাদিকদেরকে এ হেন কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য মোতামিম সংবাদ সম¥েলনে অনুরোধ জানান। কতিপয় কথিত সাংবাদিক মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মীর সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে সাবাদিকদেরকে হুমকি দেয়ার মিথ্যা অভিযোগ করেন। এ কথা আদৌ সঠিক নহে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর সোহরাব হোসেন একজন সাংবাদিক বান্ধব সজ্জন মানুষ। উজিরপুর তথা সমাজের আদর্শবান ও পেশাজীবি সাংবাদিকদের সঙ্গে তার গভীর ও চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। সুতারাং সাংবাদিকদেরকে হুমকি দেয়া প্রচারনাও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ষরযন্ত্রের অংশ। সংবাদ সম্মেলনে আমরা আবারও মাদ্রাসা পরিচালণায় সাংবাদিদের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মীর সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ডের ভূমি কর্মকর্তা মাওলানা জামাল উদ্দিন, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মাওলানা আবুল বাশার, মোঃ মিন্টু খান, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান হাওলাদার, মুফতি মাওলানা সানাউল্লাহ, জমি বিক্রেতা সহ সম্মানিত শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network